জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
গত অক্টোবর মাসে "নাজিমগড়" যাই এবং সেখানে
বেশ কিছু খাবারের অর্ডার
করি। সাথে
৫০০মিলি পানি ছিল।
যখন বিল আসলো তখন দেখলাম ১৫ টাকার পানি ৫০০মিলি তারা ৭৫ টাকা রেখেছে। ভাবলাম ডায়মন্ড এর পানি তাই এত দাম। তাই উনাদের এই ডায়মন্ড এর পানির বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
যখন বিল আসলো তখন দেখলাম ১৫ টাকার পানি ৫০০মিলি তারা ৭৫ টাকা রেখেছে। ভাবলাম ডায়মন্ড এর পানি তাই এত দাম। তাই উনাদের এই ডায়মন্ড এর পানির বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বাসায়
আসার সাথে সাথে কাল
বিলম্ব না করে সাথে
সাথে মেইল করে দিলাম
"জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর" এর ঠিকানায়।
৪/৫ দিন পর
উনারা আমকে ফোন করলেন
এবং ক্যাশ মেমোটা দিতে
বললেন। যেহেতু
আমি ঢাকা থাকি তাই
আমার কাছে একটা ব্যাকআপ
রেখে জাতীয় ভোক্তা অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর ঠিকানায় কুরিয়ার
করে দেই। ভাবলাম
ভালো কোনো ফল পাবো। কিন্তু
অক্টোবর গেল, নভেম্বর গেল,
ডিসেম্বর চলে আসলো।
কোনো খবর না পেয়ে
ভাবলাম। অভিযোগ
করে আসলে কোন লাভ
নাই। সবাই
করাপ্টেড।
কিন্তু
আমর সেই ধারণা ভুল
প্রমান হলো যখন আজ
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর থেকে ফোন পেলাম। উনারা
আমাকে বললেন, নাজিমগড়কে ১০,০০০ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে এবং জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
এর নিয়মানুসারে তার ২৫% মানে
২৫০০ টাকা আমি পাব। টাকাটা
বড় কথা নয়, এসব
দুর্নীতিবাজ রেস্টুরেন্ট এর বিরুদ্ধে যে
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটাই
বড় কথা।
তাই আজ যখনই কোনো
রেস্টুরেন্ট অথবা যদি কোন
বিক্রেতা মোড়কজাত পণ্য অধিক মূল্যে
আপনার নিকট বিক্রয় করেন
কিংবা MRP অনুযায়ী দাম গ্রহণ করতে
অস্বীকার করেন তবে নিচের
দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ দিনঃ
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
১, কারওয়ান বাজার, টিসিবি ভবন-৮ম তলা, ঢাকা-১২১৫
ফোন /
ফ্যাক্স: ৮৮-০২-৮১৮৯৪২৫,
৮৮-০২-৮১৮৯০৪৫
অভিযোগ
কেন্দ্রঃ ০১৭৭৭-৭৫৩৬৬৮
ই-মেইল: dncrp@yahoo.com
(সাথে
ক্যাশ মেমো এর ছবি
/ স্ক্রিনশট দিলে ভালো হয়)
ওয়েবসাইট:
www.dncrp.gov.bd
** অভিযোগকারী
অভিযোগ দায়েরের সময় আবশ্যিকভাবে তাঁর
পূর্ন নাম, পিতা ও
মাতার নাম, ঠিকানা, ফোন,
ফ্যাক্স ও ই-মেইল
নম্বর (যদি থাকে) এবং
পেশা উল্লেখ করবেন।
** অভিযোগ
অবশ্যই লিখিত হবে।
সেল ফোনে বা এসএমএস
করে / ফ্যাক্স, ই-মেইল / ইলেক্ট্র্রনিক
মাধ্যমে বা অন্য কোন
উপায়ে।
*** অভিযোগ
অবশ্যই ক্যাশ মেমোতে উল্লেখিত
তারিখের ৩০ দিনের মধ্যে
করতে হবে।
*** অভিযোগ
এর সময় অবশ্যই ক্যাশ
মেমো থাকতে হবে।
*** উল্লেখ্য,
অভিযোগ প্রমাণিত হলে এবং অভিযুক্ত
প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হলে, অভিযোগকারীকে
আইনানুযায়ী জরিমানাকৃত অর্থের ২৫% প্রদান
করা হবে।
*** ফলাফল
পেতে ২মাসের মত একটা
সময় লাগতে পারে, তাই
হতাশ হবেন না।




0 comments:
Post a Comment