নতুন জীবন পেল সরকারি ময়দার কল
আশরাফুল হক রাজীব
অঅ-অ+
২০০৪ সালে একমাত্র সরকারি ময়দার মিলটির যন্ত্রপাতি সের দরে বিক্রি করে দেয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। রাজধানীর পোস্তগোলার এই মিলটির জায়গাটিও বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে তা শেষ করতে পারেনি। সেই ময়দার মিলটিই পুনর্জীবন লাভ করেছে ২০০৯ সালে। সরকারকে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকিয়ে রাখার জন্য মিলটি আবার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন মহাজোট সরকার। সেই ময়দার মিলটিই আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ময়দার মিলটি দুই সরকারের নীতির প্রতীক হয়ে আছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার প্রতিযোগিতা থেকে সরকারকে সরিয়ে রাখার জন্য ময়দার মিলটির যন্ত্রপাতি সের দরে বিক্রি করে দিয়েছিল। কিন্তু মহাজোট সরকার প্রতিযোগিতার বাজারে সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য মিলটিকে পুনর্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করার জন্য রাজধানীর
পোস্তগোলায় সরকারি আধুনিক ময়দার মিল নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়েই শেষ হয়েছে।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী ময়দার মিলটির উদ্বোধন করবেন।'
পোস্তগোলায় সরকারি আধুনিক ময়দার মিল নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়েই শেষ হয়েছে।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী ময়দার মিলটির উদ্বোধন করবেন।'
নব্বইয়ের দশকেই মিলটি অকার্যকর হয়ে যায়। ২০০১ সালে মিলটি আধুনিকায়ন করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০৪ সালে মিলটি বন্ধ করে দেয় এবং এর সব যন্ত্রপাতি, কলকব্জা সের
দরে বিক্রি করে দেয়। সরকারকে আটা-ময়দার বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার জন্য মিলটি নতুন
করে গড়ে তুলতে ১৩৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মিলটির নির্মাণকাজ
শেষ হয়েছে।
সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় মিলটি বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি নতুন করে গড়ে তোলে।
সুইজারল্যান্ডের প্রযুক্তির মাধ্যমে মিলটি পরিচালিত হবে। প্রতিদিন মিলটি থেকে ২০০ টন আটা ও ময়দা
উৎপাদন করা সম্ভব হবে। মিলটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আটা ও ময়দার দাম স্থিতিশীল রাখতে
সহায়তা করবে। আটা ও ময়দার পাশাপাশি ১০ হাজার টন গম ধারণক্ষমতার একটি সাইলো নির্মাণ করা হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের প্রযুক্তির মাধ্যমে মিলটি পরিচালিত হবে। প্রতিদিন মিলটি থেকে ২০০ টন আটা ও ময়দা
উৎপাদন করা সম্ভব হবে। মিলটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আটা ও ময়দার দাম স্থিতিশীল রাখতে
সহায়তা করবে। আটা ও ময়দার পাশাপাশি ১০ হাজার টন গম ধারণক্ষমতার একটি সাইলো নির্মাণ করা হয়েছে।

0 comments:
Post a Comment